. লেবানন ও সিরিয়ার পর এবার ইসরাইলে ড্রোন হামলা চালালো জর্ডান


. এবার জর্ডান সীমান্ত দিয়ে একটি ড্রোনের মাধ্যমে ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলে হামলার চেষ্টা করা হয়, তবে সেটিকে ধ্বংস করার দাবি করেছে দখলদার দেশটির সেনারা।

ইসরাইলের যুদ্ধ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, মঙ্গলবার সকালে জর্ডান সীমান্ত দিয়ে একটি ড্রোন প্রবেশ করছিল, এ অবস্থায় সেটিকে ভূপাতিত করা হয়েছে। খবর টাইমস অব ইসরাইলের।

ড্রোনটি বেইত শাউন এলাকার ওপর দিয়ে যাচ্ছিল। সেনাবাহিনী ড্রোনটির ধ্বংসাবশেষ পরীক্ষা করে দেখছে। ইসরাইলি সেনাবাহিনীর বরাত দিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম জানিয়েছে, ড্রোনটি জর্ডানের দিক থেকে প্রবেশ করলেও এটি কারা পাঠিয়েছে তা স্পষ্ট নয়।

ফিলিস্তিনিদের ওপর নতুন করে সর্বাত্মক হামলা শুরুর পর থেকে ইসরাইল সীমান্তের দেশগুলোর জনগণও ব্যাপক প্রতিবাদ জানাচ্ছে। অনেকে প্রতিবাদ হিসেবে সীমান্ত অতিক্রম করে ইসরাইলে প্রবেশের চেষ্টা করছে।

গত ১০ মে থেকে গাজায় সর্বাত্মক হামলা চালাচ্ছে ইসরাইলি বাহিনী। ফলে গাজায় এ পর্যন্ত ৬১ শিশুসহ ২১৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

ফিলিস্তিনিরাও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে ইসরাইলি আগ্রাসনের জবাব দিচ্ছে। এ পর্যন্ত ইসরাইলে ১০ জন নিহত এবং অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন

আরো পড়ুন-লেবানন থেকে ইসরাইল অভিমুখে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ইহুদিবাদী ইসরাইলের উত্তরাঞ্চল লক্ষ্য করে লেবানন থেকে তিনটি রকেট ছোড়া হয়েছে তবে এসব রকেট ভূমধ্যসাগরে গিয়ে পড়েছে বলে দাবি করেছে ইসরাইলের সামরিক বাহিনী।

ফলে ইসরাইলের ভেতরে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি। ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর বরাত দিয়ে টাইমস অব ইসরাইল পত্রিকাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এ খবর দিয়েছে।

যখন ইহুদিবাদী ইসরাইল এবং গাজাভিত্তিক প্রতিরোধ যোদ্ধাদের মধ্যে সরাসরি সামরিক সংঘাত চলছে তখন লেবানন থেকে এই রকেট হামলার ঘটনা ঘটলা। এটি চলমান সংঘর্ষের নতুন অধ্যায় সূচনার ইঙ্গিত বলে মনে করা হচ্ছে।

চলমান সংঘাতে লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহ জড়িয়ে যেতে পারে বলে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

গাজাভিত্তিক প্রতিরোধকামী সংগঠন হামাস ও ইসলামি জিহাদ আন্দোলনের সঙ্গে লেবাননের হিজবুল্লাহর বিশেষ ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। ইসরাইলের সঙ্গে ২০০০ ও ২০০৬ সালে হিজবুল্লাহর বড় রকমের যুদ্ধের অভিজ্ঞতা রয়েছে যার কারণে দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরাইলি সেনারা পালাতে বাধ্য হয়েছে।

এদিকে, লেবানন থেকে ইসরাইল অভিমুখে রকেট ছোঁড়ার আগে ইরাকের আন-নুজাবা আন্দোলনের মহাসচিব শেখ আকরাম আল-কা’বি গাজার প্রতিরোধকামী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

তিনি এ সময় তার সংগঠনের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দেন। শেখ আকরাম ইসরাইলকে সতর্ক করে বলেছেন, তার যোদ্ধাদের হাতে এমনসব অস্ত্র রয়েছে যা ইসরাইলের গভীরে আঘাত হানতে পারে